E Paper Of Daily Bangla 71
Sikdar Dental Care
Walton New
Mobile Version

খেয়া ঘাটের ঘাটলা ইউপি সদস্যের বাড়িতে নির্মাণ, সড়ক অবরোধ করে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ

২০২৫ এপ্রিল ০৪ ১৮:৪১:৪১
খেয়া ঘাটের ঘাটলা ইউপি সদস্যের বাড়িতে নির্মাণ, সড়ক অবরোধ করে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ

তুষার বিশ্বাস, গোপালগঞ্জ : খেয়াখাটের বরাদ্দকৃত ঘাটলা ইউপি সদস্য নিজ বড়িতে বাস্তবায়ন করেছেন। এছাড়া ওই ইউপি সদস্যের বিভিন্ন দূর্নীতির প্রতিবাদে ও পদত্যাগের দাবিতে এলাকাবাসী সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। এমন ঘটনা ঘটেছে গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া উপজেলার রামশীল ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডে। ওই ওয়ার্ডের সদস্য অবনী রায় খেয়াখাটের বরাদ্দকৃত ঘাটলা নিজের বাড়িতে বাস্তবায়ন করেছেন বলে সড়ক অবরোধকারীরা অভিযোগ করেন।   

আজ শুক্রবার দুপুরে পয়সারহাট-পীড়ারবাড়ি সড়কের রাজাপুরে অবস্থান নেয় স্থানীয়রা।পরে সেখানে তারা এক ঘন্টা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে।

এসময় ত্রিমুখী বাজার কমিটির সভাপতি কেশব তালুকদার, রামশীল ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সজীব তালুকদারসহ আরো অনেকে বক্তব্য রাখেন।

বক্তারা বলেন, এলাকাবাসী রামশীল-রাজাপুর খেয়াঘাট দিয়ে প্রতিদিন গোপালগঞ্জ ও বরিশাল জেলার শত শত যাত্রীকে পারাপার করা হয়। তাই জনগুরুত্বপূর্ণ এ ঘাটে দু’ জেলার অধিবাসীরা একটি ঘাটলা নির্মাণের দাবি করে আসছেন দীর্ঘ বছর ধরে। এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ওই খেয়াঘাটে একটি ঘাটলা নির্মাণে ৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়। রামশীল ইউপির ৯ নং ওয়ার্ড সদস্য অবনী রায় ঘাটনা বাস্তবায়ন প্রকল্প কমিটির সভাপতি হন। তিনি খেয়াঘাটে ঘাটলা নির্মাণ না করে তার নিজ বাড়ির ঘাটে ঘাটলা নির্মাণ করেন। এতে তিনি ব্যক্তিগতভাবে উপকৃত হচ্ছেন। কিন্তু রামশীল-রাজাপুর খেয়াঘাটের যাত্রীদের দুর্ভোগ রয়ে গেছে। এছাড়াও তিনি মাতৃকালীন ভাতা, বয়স্কভাতা দেওয়ার জন্য ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের কাছ থেকে টাকা আদায় করেছেন বলেও বক্তারা অভিযোগ করেন। তারা দ্রুত ইউপি সদস্যের বিচার ও পদত্যাগের দাবি জানান।

অভিযুক্ত ইউপি সদস্য অবনি রায় বলেন, আমি আমার বাড়ির পাশের ৫০/৬০ বছরের পুরনো খেয়াঘাটে প্রকল্প দিয়েছিলাম। জেলা পরিষদ সেখানেই ৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়। ওইখানেই ঘাটলা নির্মাণ করা হয়েছে। সম্প্রতি রাজাপুর ক্রেডিট ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ নির্বাচনে আমি কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছি। এই ইউনিয়ন থেকে যারা ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা ঋন নিয়ে খেলাপী হয়েছে, তাদের ঋন পরিশোধে চাপ দেওয়া হচ্ছে। তাই তারা আমাকে ঘায়েল করতে মিথ্যা অভিযোগ করেছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হওয়ার পর জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ২ বার প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে। তারা প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়ন হয়েছে মর্মে প্রশংসা করেছে।আমি ভাতা দেওয়ার জন্য কারো কাছ থেকে কোন টাকা নেইনি।

(টিবি/এসপি/এপ্রিল ০৪, ২০২৫)

পাঠকের মতামত:

০৫ এপ্রিল ২০২৫

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test